• +880244814020
  • Fax: +880244814003
  • info@sau.edu.bd

News and Event Details

টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) Sustainability Impact Ratings 2026-এ স্থান পেল শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

Post Date: 2026-06-24
image

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Times Higher Education (THE) Sustainability Impact Ratings 2026-এ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (SAU), ঢাকা ১০০১–১৫০০ ব্যান্ডে স্থান অর্জন করেছে। গতকাল (২৪ জুন ২০২৬) প্রকাশিত এ বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে অবদান ও কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হয়েছে।
Times Higher Education-এর Sustainability Impact Ratings (পূর্বে THE Impact Rankings) হলো বিশ্বের একমাত্র বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়, যা জাতিসংঘের Sustainable Development Goals (SDGs) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান, গবেষণা, শিক্ষা, নীতি ও সামাজিক সম্পৃক্ততা পরিমাপ করে।
২০২৬ সালের এই র‍্যাংকিংয়ে বিশ্বের ১,৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেছে, যা ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করে। মূল্যায়ন করা হয়েছে ১৭টি পৃথক SDG সূচক এবং একটি সামগ্রিক (Overall) র‌্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এ বছর বিশেষভাবে নিম্নোক্ত SDG সূচকে মূল্যায়িত হয়েছে:
SDG 2: Zero Hunger (ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব) – স্কোর: ৫৪.৪–৬২.৭
SDG 8: Decent Work and Economic Growth (শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি) – স্কোর: ৭.৬–৩৭.৫
SDG 3: Good Health and Well-being (সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ) – স্কোর: ১.০–৩৩.৪
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ অর্জনকে শিক্ষা, গবেষণা, কৃষি উদ্ভাবন, খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই কৃষি উন্নয়ন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মকাণ্ডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচনা করছে।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, “THE Sustainability Impact Ratings 2026-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্তি ও অবস্থান আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে অবদান রাখার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এটি। ভবিষ্যতে আরও উন্নত অবস্থান অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে।